<<< বিজ্ঞপ্তি >>>
@ দৈনিক তিস্তা সংবাদে আপনাকে স্বাগতম। এখন থেকে অনলইনে নিয়মিত ভিজিট করে আমাদের সঙ্গে থাকুন <<< www.dailyteestasangbad.com / fb:teestasangbad >>>॥ ইমেইল: news.teestasangbad@gmail.com
শিরোনাম ॥
শীতের তীব্রতা বেড়েছে পঞ্চগড়ে কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিক দিয়ে আশ্রয়ণে কাজ করানোর অভিযোগ কৃষকরাই বাংলাদেশকে বাঁচিয়ে রাখে’ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য্য নিয়ে বিভ্রান্তোমূলক ফতোয়া ছড়ানোর প্রতিবাদে রংপুরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের মানববন্ধন পুলিশী হামলার ১১ দিনেও বিচার না পাওয়ায় রাজপথে রংপুরের সাংবাদিক সমাজ গঙ্গাচড়ায় কৃষক লীগকে গতিশীল করার লক্ষ্যে সভা ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতিবন্ধি উন্নয়ন ফোরামের মানববন্ধন বাংলাদেশকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যেতে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই ওভার কনফিডেন্টের কারণে করোনা বাড়ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী যমুনার ওপর বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
সবজি চাষে লাভবান কৃষক

সবজি চাষে লাভবান কৃষক

নীলফামারী সংবাদদাতা॥
নীলফামারীতে এবছর শীতের সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে এরই মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন, মুলা, শিম, ধনিয়া পাতা। দাম ভালো পেয়ে হাসি ফুঠেছে কৃষকের মুখে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে ৫ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মাঠে নেমেছে কৃষি বিভাগ। আর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৩০০ মেট্রিকটন। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করছেন তারা।
জেলা শহরের কিচেন মার্কেট, উকিলের মোড়, আনন্দ বাবুর পুল বাজার, ডালপট্টি বাজার, বাধার মোড় ও কালিতলা বাজার ঘুরে দেখা যায়, শীতকালীন সবজি হিসেবে প্রতিকেজি ফুলকপি ৫০-৫৫ টাকা, বাঁধাকপি ৪৫-৫০ টাকা, বেগুন ২৫-৩০ টাকা, করলা ৪০-৫০ টাকা, লাউ ২৫-৩০ টাকা, শিম ৪০-৫০ টাকা, মুলা ২০-২৫ টাকা ও ঢেঁড়শ ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
আমিনুর রহমান জানান, গত বছরের চেয়ে এলাকায় এবার অধিকাংশ কৃষক ফুলকপি ও বাঁধাকপির আবাদ করেছে। পাইকারি দরে প্রতিমণ ফুলকপি ২ হাজার ২০০ টাকা ও বাঁধা কপি ২ হাজার ১০০ টাকায় বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হচ্ছে। খরচ বাদ দিয়ে আশানুরূপ মুনাফা পাচ্ছেন।
জামিয়ার রহমান জানান, বাড়ি থেকে বাঁধাকপি ও ফুলকপি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বাইরের পাইকাররা। এছাড়াও রংপুর, বগুড়া, সিলেট ও ঢাকার বিভিন্ন বাজার থেকে পাইকাররা নীলফামারীতে এসে এসব আগাম সবজি হিসেবে বাঁধাকপি ও ফুল কপি প্রতিদিন ট্রাকে করে নিয়ে যাচ্ছে।
সদর উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হরেন্দ্র নাথ জানান, আগাম সবজি চাষে কৃষকদের স্থানীয়ভাবে প্রশিক্ষণসহ নানাভাবে পরামর্শ দিয়ে সবজি চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে। ভালো দাম পেয়ে তাদের মুখে হাসি ফুটেছে। পাশাপাশি আগাম সবজি চাষে তাদের আগ্রহ বেড়েছে। সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুল হাসান জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। ভালো দাম পেয়ে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক ওবায়দুর রহমান মন্ডল জানান, টানা ঝড়-বৃষ্টির মাঝেও এবার জেলায় আলুসহ ২ হাজার ৫৫৫ হেক্টর জমিতে সবজির চাষ হয়েছে। টার্গেট রয়েছে ৫ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমি। এতে উৎপাদন হবে প্রায় ১ লাখ ২৪ হাজার ৩০০ মেট্রিকটন সবজি।

এই সংবাদ ভালো লাগলে শেয়ার করুন।।

চায়না শিশুদের করুণ দোয়া

আজকের বাংলা তারিখ

  • আজ সোমবার, ৩০শে নভেম্বর, ২০২০ ইং
  • ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল)
  • ১৪ই রবিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী

ইংরেজি বর্ষ-২০২০

কোরআন-হাদিসের বাণী

সত্য লোকের নিকট অপ্রিয় হলেও তা প্রচার কর -আল হাদিস

॥ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - ২০২০
Desing & Developed BY NewsSKy